কোথা থেকে রূদ্রাক্ষ গাছের উৎপত্তি হয়েছে?


হ্যালো বন্ধুরা!! hobbiesanddreams.com-এ আপনাদের স্বাগত জানাই। বন্ধু, আমরা আমাদের বাগানে একটি রুদ্রাক্ষের গাছ লাগিয়েছি। ভাবলাম, এই বিষয়ে, কিছু আলোচনা করে নেওয়া যাক। আমরা রুদ্রাক্ষ বা তার গাছের উৎপত্তির পিছনের যে ইতিহাস, সেটা share করতে যাচ্ছি এবং এছাড়াও, আমরা রুদ্রাক্ষের প্রকার বা ধরন নিয়ে আলোচনা করব। হিন্দু 'শিব-পুরান', 'পদ্ম পুরাণ' এবং 'শ্রীমদ দেবী ভাগবত' অনুযায়ী, এই বিস্ময়কর বৃক্ষটি মূলত ভগবান শিবের চোখ থেকে বা চোখ থেকে গড়িয়ে পড়া অশ্রু থেকে উৎপত্তি হয়েছে। ভগবান শিব, যিনি 'দেবাদিদেব' নামেও পরিচিত।

পৃথিবীতে রুদ্রাক্ষের মোট ২৮ টি প্রকার পাওয়া যায়। ভগবান শিবের ডান দিকের চক্ষু বা 'সূর্য নেত্র' থেকে ১২ টি প্রকার এবং তাঁর বাম চোখ অর্থাৎ 'সোম নেত্র' থেকে 16 ধরনের রুদ্রাক্ষের উৎপত্তি হয়েছে।

'এক-মুখী' রুদ্রাক্ষকে সবচেয়ে মূল্যবান প্রকারের রুদ্রাক্ষ এবং সর্বাপেক্ষা শক্তিশালীও বলা হয়। কিন্তু, এই ধরনের রূূদ্রাক্ষ (এক-মুখী) সবচেয়ে অসাধারণ বা গুণাাণ্বিত যা কিনা ব্যাপকভাবে উপলব্ধ নয়। অন্যদিকে, 'পঞ্চ-মুখী' বা 'পাঁচটি face বিশিষ্ট ' রুদ্রাক্ষ এই বিশ্বের সবচেয়ে উপলব্ধ বা সহজলভ্য ধরনের টাইপ।

'পৌরাণিক' যুগে, যখন ত্রিপুরাসুরের 'অত্যাচার' -এ পৃথিবী বা 'ভু-লোক' অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল, তখনকার ঘটনা। এই ত্রিপুরাসুর, প্রভু ব্রহ্মার কাছে, বর পেয়ে বলপ্রাপ্ত হওয়ার পরে, অত্যন্ত দমনকারি, উৎপীড়ক এবং অনাচারী হয়ে ওঠেন। তারপর, প্রভু 'বিষ্ণু' এবং আদি দেব 'ব্রহ্মা' নিপীড়িত বিশ্বকে সংরক্ষণের জন্য আবেদন নিয়ে প্রভু 'শিবের' সমীপে আসেন। কিন্তু, এই কাজটা এত সহজ ছিল না। কোনও বিকল্প না থাকার কারণে, তিনি চিন্তাভাবনায় একাগ্র মনে ব্যস্ত ছিলেন,কিভাবে অত্যাচারী ত্রিপুরাসুর' কে পরাজিত ও ধ্বংস করতে পারেন এমন পথ খুঁজে বের করার জন্য। এইভাবে, এক হাজার বছর সময়কাল অতিক্রান্ত হয়ে যায়। সেই সময় তাঁর অর্ধ উন্মীলিত চোখ দুটি থেকে অশ্রু গড়িয়ে পড়লে, তা থেকে রুদ্রাক্ষ' গাছের উৎপত্তি হয়।

ভগবান শিব 'রুদ্র-দেব' নামেও পরিচিত। তাঁর চোখ থেকে উৎপত্তি, তাই, রুদ্রাক্ষ নাম (রুদ্র + অক্ষি) হয়েছছে।

মানুুষ, তিনি নারী হোন বা পুুরুষ, রূদ্রাক্ষ ধারণ/ পরিধান / বহন দ্বারা রক্ষা পেতে পারেন। রুদ্রাক্ষে তিন ধরনের শক্তি রয়েছে। 1. আঘোর, ২. 'সুন্দর' এবং 3. 'ভয়ানক' বা 'প্রলয়ংকর' এবং সকল দেবতার শক্তিও এতে যোগ হয়েছে। আমাদের দেশ, ভারতে, রুদ্রাক্ষকে 'জপ-মালা', 'মালা' এবং প্রাকৃতিক 'জুয়েলারী' বা 'organic jewellery' হিসাবে ব্যবহার করা হয়। কখনওবা, রূদ্রাাক্ষকে মূল্যবান পাথরের মতো বা রত্ন পাথরের মতোই ব্যবহার করা হয়। রূদ্রাক্ষকে সব নেতিবাচক শক্তি বা অপশক্তির শোষক বা নাশক হিসাবেও পরিচিত করা হয়। সুতরাং, যদি আপনি একটি রূদ্রাক্ষের গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করেন, এটি মনে হয় খুব ভুল করবেন না. আপনি সুরক্ষিত থাকতে পারবেন।

ধন্যবাদ !!!

ভিডিওটি দেখুন:

#Rudrakshaplant #Rudraksha #Originofrudrakshaplant #AgreatprotectorRudraksha

Recent Posts
Archive
Search By Tags
Follow Us
  • Facebook Basic Square
  • Twitter Basic Square
  • Google+ Basic Square

© 2027 By Hobbies and Dreams Proudly created by Hobbies and Dreams

  • Twitter Social Icon
  • Pinterest Social Icon
  • Instagram Social Icon
  • Facebook Social Icon
  • YouTube Social  Icon