জবাগাছে প্রচুর ফুল ফোটানোর জন্য - কিভাবে যত্ন নেব

এক্ষেত্রে, আমরা যেসব পদ্ধতি অবলম্বন করেছিলাম, সেগুলোই বলি।

১ । আমাদের জবাগাছগুলো বেশ বড় বড় আকারের হয়ে গিয়েছিল বলে, তাদের কাটিং করে ছোট করে নেওয়াটাও জরুরী হয়ে পড়েছিল। বর্ষা আসার ঠিক আগে-আগেই সেই কাজটা আমরা করে নিয়েছিলাম।

যখন আপনার গাছের কাটিং করবেন, তাতে অনেকগুলো নতুন ডালের উন্মেষ হওয়ার সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়। স্বাভাবিকভাবেই, অনেক নতুন কুঁড়িও আসবে, গাছে। এর আর একটা দ্বিতীয় কার্যকারিতাও আছে। সেটা হ’ল, কেটে আলাদা করে নেওয়া ডালটাকে আপনি যদি একটু ছায়াঢাকা স্থানে মাটিতে পুঁতে দেন, একই প্রজাতির আরও চারা গাছ পাওয়ার সম্ভাবনা তৈর হয়। ফলে, আপনার প্রিয় প্রজাতির গাছটারও তখন আর একটা ব্যাক-আপ থাকে।

মূল গাছটিও, তার বার্ধক্যজনিত দুর্বলতা ঝেড়ে ফেলে, নবউদ্যমে ফুল ফোটানোয় মন দিতে পারে।।

২। কাটিং করার পরে, তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি হওয়ার জন্য গাছের গোড়ায় পুষ্টি-প্রদায়ী কিছু সারের সংমিশ্রণ ও বাড়ির ব্যবহৃত সব্জী ও ফুল-ফলের ওয়েস্টেজ’এর সাথে মাটি মিশিয়েও আমরা দিয়েছি।

৩। নিয়মিত গাছের গোড়ায় জল দিতে দিতেই একটা সুন্দর শেপে চলে এল, গাছগুলো। ঐসময়টাতে গাছগুলোতে বেশ পোকা ও ছত্রাকের আক্রমন শুরু হওয়ায়, জলে কীটনাশক, ছত্রাকনাশক ও ফুলের কুঁড়ি আসার জন্য অনুখাদ্য মিশিয়ে স্প্রে করে দিয়েছিলাম। ব্যস।

এরফলে, এখন, জবা গাছটি যথেষ্ট ছন্দে ফিরেছে এবং ফুল ফুটিয়ে তার খুশির বহিঃপ্রকাশ করছে। এমন একটা সুন্দর অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নিতে পেরে, আমাদেরও ভীষণ ভালো লাগছে।

Recent Posts
Archive
Search By Tags
Follow Us
  • Facebook Basic Square
  • Twitter Basic Square
  • Google+ Basic Square

© 2027 By Hobbies and Dreams Proudly created by Hobbies and Dreams

  • Twitter Social Icon
  • Pinterest Social Icon
  • Instagram Social Icon
  • Facebook Social Icon
  • YouTube Social  Icon